1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  3. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  4. mahmudbx@gmail.com : Monwar Chaudhury : Monwar Chaudhury
বারবার ভুল পথে বিয়ানীবাজার আওয়ামী লীগ: দায় কার ?
সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৯:২২ অপরাহ্ন




বারবার ভুল পথে বিয়ানীবাজার আওয়ামী লীগ: দায় কার ?

স্টাফ রিপোর্ট::
    আপডেট : ১৫ জুন ২০২২, ১১:২৪:০৩ অপরাহ্ন

বিয়ানীবাজারে ফের পরাজয় হলো নৌকার। এর আগে্ও বিয়ানীবাজারে নৌকার পরাজয় ঘটেছে। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে বিয়ানীবাজারে নৌকার ভরাডুবি হয়। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদের নিজ উপজেলা বিয়ানীবাজারের ১০ ইউপির মধ্যে মাত্র তিনটিতে সেবছর নৌকার প্রার্থী জয় পান।

এবার পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস শুকুরকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ফারুকুল হক। পৌরসভার ১০টি কেন্দ্রে চামচ প্রতীক নিয়ে ফারুকুল হক ৩ হাজার ৫৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আব্দুস শুকুর পেয়েছেন ২ হাজার ৪৮ ভোট।

এমনকি নুরুল ইসলাম নাহিদের নিজ কেন্দ্র পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে নৌকা পরাজিত হয়েছে। এ কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের আব্দুস শুকুর পেয়েছেন ২৬২টি ভোট। আর বিজয়ী প্রার্থী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফারুকুল হক পেয়েছেন ৫৫৫ ভোট।

বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, বিয়ানীবাজারে আওয়ামী লীগ সবসময়ই ভুল পথে হাঁটে। এমপি থেকে শুরু করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে পৌরসভার মেয়র, সবখানেই।

স্থানীয় এমপি নুরুল ইসলাম নাহিদ এলাকায় আসেন না। করোনা মহামারির সময়ে আড়াই বছর পর এসেছিলেন এলাকায়। কিছুদিন আগে বন্যার সময়েও এলাকায় আসেননি। নির্বাচনের সময়ে মনোনয়ন পেলে এলাকায় আসবেন নিশ্চিত। স্থানীয় আওয়ামী লীগের কমিটি তার ঘনিষ্ঠজনদের নিয়েই, অভিযোগ এমনই।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আবুল কাসেম পল্লবকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়নি। বিদ্রোহী হলেও জয়ী হয়েছিলেন পল্লব।

সবশেষ আজ পৌরসভা নির্বাচনে এমপি-ঘনিষ্ঠ আবদুস শুকুর পরাজিত হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী জিএস ফারুকুল হকের কাছে। ফারুকুল হক ১৯৯৫ সালে বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে জামায়াত-শিবিরের হামলার শিকার হয়েছিলেন। সেই হামলার ঘটনা এবার নির্বাচনে তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন ভোটারদের।

পৌর নির্বাচনের আগে কৃষক লীগের কমিটি করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান। তাও আবার উপজেলা সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরের এক কমিউনিটি সেন্টারে। কমিটি নিয়ে জেলা নেতার এমন কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম পল্লব বলেছিলেন, পৌর নির্বাচনের আগে এমন ঘটনায় যদি নির্বাচনে প্রভাব পড়ে তবে দায় নিতে হবে জেলার নেতাদের।

বিয়ানীবাজারে আওয়ামী লীগ সবসময়ই সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী ছিল। তবু আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা নির্বাচনে ভোটারদের আকৃষ্ট করতে পারছে না। কী কারণ?

এমপি-ঘনিষ্ঠতা হয়তো বিয়ানীবাজারের নির্বাচনে ফ্যাক্টর নয়, প্রত্যাখ্যানের কারণ হয়ে গেল কি-না কে জানে!




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020