1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  3. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  4. mahmudbx@gmail.com : Monwar Chaudhury : Monwar Chaudhury
মজুরি বৃদ্ধির দাবি : অন্যথায় চা-বাগান বন্ধের হুমকি
বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন




মজুরি বৃদ্ধির দাবি : অন্যথায় চা-বাগান বন্ধের হুমকি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
    আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২২, ৭:২৮:৪২ অপরাহ্ন

আগামী ৮ আগস্টের মধ্যে চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি না মানলে সারাদেশের সকল চা-বাগানে কর্মবিরতি ও বাগান বন্ধের হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন। সোমবার (১ জুলাই) বিকালে মৌলভীবাজারে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে চা শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা বলেন, গত ১৯ মাস ধরে চা বাগানের মালিকদের সঙ্গে শ্রমিকদের দরকষাকষি চলছে। আমরা ৩০০ টাকা মজুরি দাবি করলেও মালিকপক্ষ মাত্র ১৪ টাকা মজুরি বৃদ্ধি করতে চায়। বর্তমানে দ্রবমূল্যের এই বাজারে শ্রমিকদের ১২০ টাকা মজুরি প্রকারান্তরে আমাদের সঙ্গে প্রহসন করা।

আমাদের শ্রমিকরা ১২০ টাকা মজুরি পেয়ে খেয়ে-না খেয়ে মালিকপক্ষ ও চা শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করছে কিন্তু বিনিময়ে আমরা গত ১৯ মাস মালিকপক্ষের সঙ্গে দেন দরবার করার পর তারা আমাদের মাত্র ১৪ টাকা মজুরি বাড়ানোর আশ্বাস দিল। এতে আমাদের শ্রমিকরা ভিতরে ভিতরে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন।

তারা আরও বলেন, আমাদের চা শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাগান মালিকদের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী মজুরি বৃদ্ধি করার কথা থাকলেও মালিকরা চুক্তি ভঙ্গ করছেন। এমতাবস্থায় আমরা ২ আগস্ট বাংলাদেশীয় চা সংসদ এর সঙ্গে বসব। চা শ্রমিকদের ৩০০ টাকা মজুরি নির্ধারণ করার দাবি পেশ করব। যদি ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কোনও আশানরুপ কাজ না হয় আমরা সারাদেশের চা শ্রমিকদের নিয়ে চা বাগানে কর্মবিরতিসহ বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দিব। চা বাগানের সব কারখানা বন্ধ করে দিব।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাখন লাল কর্মকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন চা শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি পংকজ কন্দ, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) নিপেন পাল, অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দি প্রমুখ। এ সময় চা শ্রমিক ইউনিয়নের ৭টি ভ্যালীর ( বালিশিরা ভ্যালী, লস্করপুর ভ্যালী, সিলেট ভ্যালী, চট্রগ্রাম ভ্যালী, মনু-ধলই ভ্যালী, লংলা ভ্যালী ও জুড়ি ভ্যালী) সভাপতি, সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে সিলেট বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির বিষয়টি মূলত মালিক পক্ষ ও চা শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে হয়ে থাকে। সেখানে আমরা প্রভাব বিস্তার করতে পারি না। কিন্তু তারা যদি আমাদের কাছে বিচারপ্রার্থী হয় সেক্ষেত্রে আমরা দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে মিমাংসা করতে পারি।




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020