1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  3. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  4. mahmudbx@gmail.com : Monwar Chaudhury : Monwar Chaudhury
মাধবপুরে সোনাই নদী খননে অনিয়মের অভিযোগ
মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:৪২ অপরাহ্ন




মাধবপুরে সোনাই নদী খননে অনিয়মের অভিযোগ

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
    আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ৩:০৯:৪১ অপরাহ্ন

উপজেলার সোনাই নদীর তলদেশ খনন না করে পাড় কেটে পাড়েই মাটি ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। নদীর মূল অংশ খনন না করে নদীর পাড় ঘেটে পাড়ে ফেলে নদী খনন দেখানো হচ্ছে। এভাবে নদী খননের কারনে সরকারের কোটি টাকা অপচয় হচ্ছে বলে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ। এ ছাড়া ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে এসব বালু অবৈধ পথে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন সোনাই নদী খননের জন্য ৪টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পায়। সোনাই ও কাষ্টি নদীর খনন ব্যয় ধরা হয় ৩৪ কোটি টাকা। চৌমুহনী এলাকার আতিকুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, দুই বছর ধরে সোনাই ও কাষ্টি নদীতে খনন কাজ চলছে। কাজ বন্ধ রেখে শীত মৌসুম এলে নদীর খনন কাজ শুরু হয়। কিন্তু নদীর তলদেশ থেকে মাটি বালু না তুলে শুধু পাড়ের মাটি বালু পাড়ে রেখে খনন কাজ চলছে।

এতে করে নদীর আসল খনন কাজ হচ্ছে না। নদীর গভীরতা সৃষ্টি না হওয়ায় গত বৃষ্টির পানিতে অনেক পাড় ভেঙে আবার নদীতে মিশে গেছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান দুলু বলেন, নদীর স্রোত ফিরিয়ে আনতে সরকার ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নদীর খনন কাজে দায়িত্ব দেন। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সঠিকভাবে নদীর খননকাজ করছে না।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন খনন কাজ সঠিক ভাবে করছে কিনা তারাও যথাযথভাবে তদারক করছে না। চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ বলেন, সোনাই নদীর খনন চলছে অনেক দিন ধরে তবে সিডিউল অনুযায়ী সঠিকভাবে কাজ হচ্ছে কিনা এ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে বুল্লা ইউনিয়নের কাষ্টি নদী গত বছর খনন করা হয়েছিল। কিন্তু নদী পাড়ের মাটি বালু বিভিন্ন প্রভাবশালী লোকজন কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এতে নদীর পাড় ভেঙে স্থানীয় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নদীর খনন কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মো. শানু সিকদার জানান, শিডিউল অনুযায়ী নদী খনন হচ্ছে। এ ছাড়া নদী থেকে উঠানো বালু নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা হচ্ছে। এ বালুর বিষয়ে তাদের কোনো কর্তৃত্ব নেই। কিছু লোক জোর করে এসব বালু নিয়ে যায়।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম হাসনাইন মাহমুদ জানান, নদী খননের নির্দিষ্ট নকশা রয়েছে। এ নকশা অনুযায়ী নদীর খনন কাজ করতে হয়। নদী খননের পর সরকারি অর্থ ছাড় দেওয়ার পূর্বে ভালোভাবে সার্ভে করে সব ঠিকঠাক হলে তাদের টাকা ছাড় দেওয়া হয়। তবে নদী খননে কোনো অনিয়ম হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020