1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  3. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  4. mahmudbx@gmail.com : Monwar Chaudhury : Monwar Chaudhury
মিডিয়া কাভারেজ পেতে বিএনপি ‘সিচুয়েশন’ তৈরি করে
রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন




মিডিয়া কাভারেজ পেতে বিএনপি ‘সিচুয়েশন’ তৈরি করে

বাংলানিউজএনওয়াই ডেস্ক
    আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:৩৩:২৩ অপরাহ্ন

মিডিয়া কাভারেজ পেতে বিএনপি ‘সিচুয়েশন’ তৈরি করে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি নেতাদের কথা শুনলে মনে হয় তারা বোমা ছুড়বে, ঢিল মারবে, গুলি করবে, সব করবে। কিন্তু তাদের কিছু বলা যাবে না। মিডিয়া কাভারেজ পেতে বিএনপি আন্দোলনের সময় ‘সিচুয়েশন’ তৈরি করে।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) সংসদের ১৯তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিএনপির ওপর হামলার তথ্য তুলে ধরে সরকারের কড়া সমালোচনা করলে তার জবাব দেন সংসদ নেতা শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, রুমিন ফারহানা বলে গেল খুব খারাপ নাকি অবস্থা। ভোলার ঘটনা নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করে গেল, প্রতিবাদ করে গেল। বাংলাদেশে কী হতো? ৭৫-এ জাতির পিতাকে হত্যা করা হলো, খুনিদের আরও উৎসাহিত করা হলো। বিচারের হাত থেকে রেহাই দেওয়া হলো। বিরোধী দল আন্দোলন করবে, হ্যাঁ আমি বলেছি পুলিশকে যে কিছু না বলার জন্য; এটা ঠিক। কিন্তু পুলিশ তো আগ বাড়িয়ে কিছু করেনি। যেকোনো মানুষ যদি আক্রান্ত হয় তার নিজেকে বাঁচাবার অধিকার আছে। সেটা কি নাই? না পুলিশ হলে তারা আক্রান্ত হলেও তার নিজেকে রক্ষা করার কোন অধিকার থাকবে না।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে সংসদ নেতা বলেন, তাদের কথায় মনে হয় তারা বোমা ছুড়বে, লাঠি মারবে, ঢিল মারবে, গুলি করবে সব করবে; তাদের কিছু বলা যাবে না। আমি তো আন্দোলন করার কথা বলেছি, মিছিল করেন, আন্দোলন করেন। শান্তিপূর্ণভাবে করলে কেউ কিছু বলবে না। যেখানে শান্তিপূর্ণভাবে হচ্ছে সেখানে তো কেউ কিছু বলছে না। কিন্তু এরা তো মাঠে নেমেই আগে কোথায় কাকে আক্রমণ করবে, কীভাবে একটা সিচুয়েশন তৈরি করবে। হ্যাঁ এটা করে, একটা কারণ আছে, কারণ হল এমনি মিছিল করলে তো মিডিয়া কাভারেজ পাবে না। মিডিয়াতে কাভারেজ করার জন্যই তারা এমন ঘটনা ঘটাবে যেন তারা একটু ইয়ে পায়।

তিনি বলেন, এখন গুম, খুন হত্যা নিয়ে কথা হয়। বাংলাদেশে ৭৫’ এর পর কী ঘটেছে। ২০০১ সালের নির্বাচের পর বরিশালের আগইলঝড়ায় গৌরনদী থেকে ২৫ হাজার লোক টুঙ্গিপাড়ায় আশ্রয় নিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা ডিজেল বেশি দামে কিনে অল্প মূল্যে দিচ্ছি। প্রত্যেকটা খাতে আমরা দিচ্ছি, কারণ কৃষক উৎপাদনটা বাড়াবে। দুই কোটি কৃষক উপকারভোগী কার্ড পায়। অর্থনীতির প্রত্যেকটা খাতে ভর্তিুকি দিচ্ছি। যারা সাধারণ মানুষ তাদের জন্য, উচ্চবিত্তরা হয়তো একটু অখুশি হতে পারেন। সাধারণ মানুষের যাতে কষ্ট না হয় সেদিকেই বেশি দৃষ্টি দিয়ে থাকি, এটাই আমার নীতি এবং সেটাই আমি করে যাচ্ছি। হতাশাব্যঞ্জক কথা ছড়িয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো, সেটা মোটেই সমুচিত না।




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020