1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  3. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  4. mahmudbx@gmail.com : Monwar Chaudhury : Monwar Chaudhury
মেয়ের কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে খুন করে পুঁতে রেখেছিলেন বাবা!
বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন




মেয়ের কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে খুন করে পুঁতে রেখেছিলেন বাবা!

বাংলানিউজএনওয়াই ডেস্ক
    আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২২, ৯:০৮:২৯ অপরাহ্ন

মেয়ের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে নিজ মেয়েকে হত্যা করে পুঁতে রেখেছিলেন বাবা। ঘটনাটি রংপুরের পীরগাছার। মঙ্গলবার (২ আগস্ট) মেয়েকে হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন বাবা রফিকুল ইসলাম। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) আশরাফুল আলম পলাশ।

রংপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) আশরাফুল আলম পলাশ জানান, অনেক স্বপ্ন নিয়ে পুলিশে চাকরি করে এমন এক ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন বাবা। কিন্তু তার অভিযোগ, মেয়ের কারণেই সেই বিয়ে টেকেনি। এরপর এলাকায় এসে মাদকের কারবার ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ে মেয়েটি। এ নিয়ে গ্রামে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও হয়। এক পর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক ঢাকার সাভারে একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কাজে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ গত কোরবানির ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এলে মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা বলে জানতে পারেন বাবা রফিকুল ইসলাম। এতে তিনি লোকলজ্জার ভয়ে মেয়ের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। সেই জেরে গত ২২ জুলাই রাত ১টার দিকে মেয়েকে ঘুমন্ত অবস্থায় গলায় পা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন বাবা। পরে বাড়ির পাশের জমিতে পুঁতে রাখেন মেয়ের লাশ। কিন্তু কেউ যদি দেখে ফেলে এই ভয়ে দুই দিন পর লাশ তুলে দূরে নিয়ে গিয়ে পুঁতে রাখা হয়। গত ২৫ জুলাই দুপুরে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার তালুক ঈশাদ নয়াটারি গ্রাম থেকে অজ্ঞাত হিসেবে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ জুলাই সকালে নয়াটারি এলাকার একটি সমতল জমিতে বৈদ্যুতিক খুঁটি সংলগ্ন এলাকায় উঁচু মাটির ঢিপি দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। উৎসুক লোজন মাটি খুঁড়ে অজ্ঞাত এক নারীর মাথা দেখতে পায়। তারা কাছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটির নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সেদিনই লাশটি নিজের বোন লিপির বলে দাবি করেন উপজেলার অনন্তরাম (বড়বাড়ি) এলাকার শামীম মিয়া।

এ ঘটনায় পুলিশ মামলা দায়েরের জন্য বাবা রফিকুল ইসলামকে থানায় ডাকে। নিহতের বাবা মামলা দায়ের না করার জন্য গড়িমসি শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করলেও সন্দেহ বেড়ে যায় পুলিশের। পরে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে লিপির অবস্থান বাড়িতেই ছিল বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়। সেই সূত্র ধরে নিহতের বাবা রফিকুল ইসলাম, ভাই শামীমসহ পরিবারের চার সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। একপর্যায়ে মেয়েকে ‘অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়ে নিজেই হত্যা করেন বলে স্বীকার করেন বাবা রফিকুল ইসলাম।

রংপুরের পীরগাছা থানার ওসি মাসুমুর রহমান বলেন, রফিফুল ইসলাম মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। ইতোমধ্যে রফিকুলকে সঙ্গে নিয়ে হত্যাকাণ্ডের পর পুঁতে রাখতে ব্যবহৃত কোদালসহ আলামত জব্দ করা হয়েছে। রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হলে তিনি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত রফিকুলকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020