1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  3. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  4. mahmudbx@gmail.com : Monwar Chaudhury : Monwar Chaudhury
সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে ব্যস্ততা
সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন




সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে ব্যস্ততা

সিলেট প্রতিনিধি
    আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২:১৫:৩৯ অপরাহ্ন

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে থমকে গেছে পুরো দুনিয়া। স্থবিরতা নেমে এসেছে সর্বত্র। তেমনি সারাদেশের সাথে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে স্থবিরতা। সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন কিংবা

স্লোগানে স্লোগানে রাজনীতির চিরচেনা দৃশ্যপট বদলে গেছে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সাংগঠনিক প্রকাশ্য কর্মকান্ড বন্ধ রেখেছে। অপরদিকে আয় কমলেও ডোনেশেনে সিলেট মহানগরীতে করোনার কারণে লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সাহায্যে বেশি মনোযোগী প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। তবে, এই করোনায় দুই দলই হারিয়েছে তাদের শীর্ষ দুই নেতাকে। একজন আওয়ামী লীগের বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, আরেকজন বিএনপির এমএ হক। তাদের শোক এখনো ভ‚লতে পারছে না শীর্ষ এই দুই দলের নেতাকর্মিরা। সুতারাং এই যখন বাস্তবতা। তখন রাজপথের রাজনীতিকে এখন ভার্চুয়াল মাধ্যমে নিয়ে গেছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে মাঠের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির পক্ষে সারাদেশের তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্থ তথা অসহায় গরিব মানুষকে সহায়তা করছে। দলটির নেতা কর্মীরা সাধ্যমতো অসহায় মানুষের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তবে, বড় দল দুটি করোনা ইস্যুতে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মাধ্যমে মাঠ গরমের চেষ্টা করলেও বাকি সব কর্মকান্ড গণমাধ্যমে বিবৃতি দেয়ার মধ্যেই পুরোপুরি সীমাবদ্ধ। করোনাভাইরাস মহামারী রূপধারণ করায় একে একে সবকিছুতেই আঘাত হেনেছে। রাষ্ট্রীয়, সরকারি-বেসরকারি, সামাজিক, পারিবারিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বহু পূর্বনির্ধারিত অনুষ্ঠান স্থগিত বা বাতিল হয়ে গেছে। এদিকে, সিলেটের আওয়ামী লীগে জেলা ও মহানগর কমিটি পূর্ণাঙ্গ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রে জমা দেয়ার ঘোষণা আসার পর থেকে নতুন করে উজ্জিবীত হয়েছে দলটি। এ বিষয়ে সিলেটের আওয়ামী লীগ শীর্ষ নেতারা বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রথম থেকেই আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে ছিল এবং আগামিতে আছে থাকবে। নেতারা বলেন, রাজনীতি যদি হয় মানুষের জন্য, তাহলে বলব মানুষকে বাঁচানোই এখন বড় রাজনীতি। আওয়ামী লীগ এ কাজটিই করে যাচ্ছে। এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগের এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত থেকে ভার্চুয়াল জগতে সীমিত পরিসরের পাশাপশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সাংগঠনিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন। সাংগঠনিক কর্মকান্ড নিয়ে মাঠে নামতে আরো সময় লাগবে। কেননা মহামারী নিয়ন্ত্রণে এলে কেন্দ্রর অনুমতি এলে আগামী মাস থেকে বড় আকাড়র শুরু হতে পারে রাজনৈতিক কর্মকান্ড। এই সময় পর্যন্ত ভার্চুয়াল মাধ্যমেই সীমিত পরিসরে রাজনৈতিক কর্মকান্ড চলবে। আপাতত সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা চালাবেন তারা। বর্তমান পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ কমিটির পূর্নগঠন কর্মকান্ড স্থবির থাকলেও কেন্দ্রের নির্দেশে বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার জন্য কাজ চলছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, করোনার কারণে কমিটি গঠনে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে এই করোনাকালেই পূর্ণাঙ্গ কমিটির প্রস্তুতি সেরে রাখা হয়েছে। কেন্দ্রের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। তিনি জানান, প্রবীণ ও নবীনের সমন্বয়েই নতুন কমিটি হবে। তবে পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত পুরোদমে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় হওয়া কঠিন বলে মনে করেন তিনি। সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, বর্তমানে করোনাভাইরাসের মতো মহামারীতে কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে দেশের মানুষ। এ কিছুদিন আগে লকডাউন পরিস্থিতিতে মাঠে না থাকলেও আমরা বসে নেই। আমরা করোনাকালীন সময়ে জাতীয় দিবসগুলো পালন করেছি অত্যন্ত সুচারুভাবে। তবে আগের মতো নয় একটু সীমাব্ধতার মাঝে। তবে কেন্দ্রর অনুমতি এলে জোড়েসোরে শুরু হবে। তিনি বলেন, রাজনীতি হচ্ছে জনগণের জন্য। জনগণের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মুখ্য উদ্দেশ্য। জনগণের দল হিসেবে আওয়ামী লীগ সেই কাজটিই করছে। পর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে বিলম্বের কারণ হিসেবে করোনার কথা উল্লেখ করে অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, সীমিত পরিসরে বিভিন্ন বৈঠকের মাধ্যমে কমিটি পূর্ণাঙ্গের কাজ বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে। এ কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। তিনি বলেন, দলের ত্যাগী, সৎ ও নিষ্ঠাবান নেতারাই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পাবেন। প্রবীণদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। সুযোগ পাবেন সম্ভাবনাময় তরুণ নেতারাও। অপরদিকে, সিলেটের বিএনপির শীর্ষনেতারা জানান, করোনা সঙ্কট শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে বিএনপি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং এখনো এই কাজ অব্যাহত রয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলের কাছে এর চেয়ে বড় কাজ আর কী হতে পারে? এটাও তো রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক কাজের মধ্যেই পড়ে। তারা আরও জানান, মাঠের রাজনীতি বা সংগঠন গোছানোর যে কাজ, সেটা এখনই শুরু করা সম্ভব নয়। তবে, এই করোনা সংকটেও দলকে গোছানোর জন্য কাজ করছে দলের সহযোগী সংগঠনগুলো। যুবদল ও ছাত্রদলের কেন্দ্রিয় নেতারা সিলেটে এসে বেশ কিছু জেলা ও উপজেলার কমিটিগুলো পূর্ণগঠনে কাজ করেছেন। বেশ কয়েকটি উপজেলায় ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সিলেট মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব চৌধুরী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে। আমাদের দলের নেতাকর্মীরা নানাভাবে নিপীড়িত-নির্যাতিত। এরমধ্যেও এ করোনাকালীন সময়ে জনগণের পাশে সাধ্য অনুযায়ী আছি। আমরা মনে করি, এ মুহূর্তে জনগণের পাশে দাঁড়ানোটাই জরুরি। এটাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করছি। তিনি বলেন, করোনার এ মহামারীর সময় দেশে রাজনীতি নেই। সভা-সমাবেশের সুযোগ নেই। আন্দোলন-সংগ্রামের সুযোগ নেই। নেতাকর্মীরা অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এখনও আক্রান্ত হচ্ছেন। এর মধ্যেই আমরাইতো মধ্যে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। আর রাজপথের রাজনীতিকে এখন ভার্চুয়াল মাধ্যমে নিয়ে গেছে। আর ছাত্রনেতারা জানান পাঁচ মাস ধরে থমকে আছে সিলেটের রাজনীতি। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি— রাজনীতির মাঠে কোনো দলেরই নড়াচড়া নেই। ফলে বিভিন্ন ইউনিটে নতুন কমিটি গঠনের বিষয়টিও ঝুলে আছে।

প্রসঙ্গত: করোনাভাইরাসরে সর্বগ্রাসী হয়ে এসেছিল রাজনীতিরময়দানে। ভয়ঙ্কর এই ভাইরাস স্থবিরতা কেটেগিয়ে ক সিলেটে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ সব দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এখন চাঙ্গাহয়ে উটছে

জানা গেছে, করোনাভাইরাসের প্রভাব বাংলাদেশে পড়তে শুরু করার পরপরই সিলেটে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড গতি হারায়। দেশে করোনাক্রান্ত রোগী পাওয়া যাওয়ার পরই সিলেটে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান স্থগিত করে দেয় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ।




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020