1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  3. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  4. mahmudbx@gmail.com : Monwar Chaudhury : Monwar Chaudhury
সেই ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে এবার ইউএনও বরাবরে অভিযোগ
বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৬:৪২ অপরাহ্ন




সেই ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে এবার ইউএনও বরাবরে অভিযোগ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
    আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২২, ১১:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন

সরকারি ঘর দেবার নাম করে অর্থ আত্মসাত করার অভিযোগে ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে এবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। সোমবার ( ১ আগষ্ট) মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে এই অভিযোগ দাখিল করেন ধর্মপাশা উপজেলার পনারকুড়ি গ্রামের আবদুল আলিমের ছেলে জামাল বাদশাহ।

এর আগে হতদরিদ্র পরিবারকে সরকারি ঘর দেবার নাম করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠে ওই ইউপি সদস্যের উপর। ওই ইউপি সদস্যের নাম এখলাছ উদ্দিন। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার ২ নং দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের গৃহহীন ও ভূমিহীনদের সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে ৪ টি হতদরিদ্র পরিবারের কাছ থেকে ৮২ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়নের গড়াকাটা গ্রামের লিটন মিয়ার কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেওয়া গৃহহীনদের ঘর এনে দেবার কথা বলে ০৩ নং ওয়ার্ড গড়াকাটা গ্রামের বর্তমান মেম্বার এখলাছ উদ্দিন বিশ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন ! লিটন মিয়া এটাও বলেন আমার জায়গাজমি নেই। শশুর বাড়ি থাকি। উনি এ প্রস্তাব দেবার পরে পাশের বাড়ির নাসিমার থেকে ২০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে গড়াকাটা গ্রামের মুরুব্বি গিয়াস উদ্দিনের বাড়িতে বর্তমান মেম্বার একলাছ উদ্দিন মঠোফোনে আমাকে যেতে বলে এবং আমি সেখানে নিজে গিয়ে মেম্বারের হাতে দেই।

একইভাবে ৩ নং ওয়ার্ডের পনারকুড়ি গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি (২) আব্দুল হালিম মিয়া (৬৫) একই গ্রামের (৩)শুক্কর মিয়া(৩৫),পিতা: মাখন আলী ও (৪) মোহাম্মদ আলী মিয়া (৩২)( আকবর আলীর ভাগিনা ) উনাদের কাছ থেকেও সরকারি ঘর এনে দেবার নাম করে টাকা আত্মসাৎ করে!

এছাড়াও পাশের গ্রাম হরিনাকান্দী থেকেও ঘর এনে দেবেন বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মেম্বার এখলাছ উদ্দিনের উপর। ০৩ নং ওয়ার্ডবাসী উক্ত মেম্বারকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জোরদার দাবি জানান।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগের বিষয়ে গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তি আবদুল জলিল বলেন, এ বিষয়ে মেম্বারের বক্তব্য জানতে চাইলে সত্যতা স্বীকার করেন মেম্বার। আবদুল জলিল জানায়, মেম্বারের সাথে কথা হলে মেম্বার জানায়, ‘নিজের ও তো কিছু খরচ লাগে। তাই তিনি কিছু টাকা রেখেছেন’।




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020