1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. banglanews24ny@gmail.com : App Bot : App Bot
  3. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  4. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  5. islam_rooney@ymail.com : Ashraful Islam : Ashraful Islam
  6. rumelali10@gmail.com : Rumel : Rumel Ali
  7. Tipu.net@gmail.com : Ariful Islam : Ariful Islam
জীবিকা >> জামালগঞ্জে বাঁশের চাই বুনে জীবন চলে যাদের
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন




জীবিকা >> জামালগঞ্জে বাঁশের চাই বুনে জীবন চলে যাদের

জামালগঞ্জ প্রতিনিধি
    আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯:৫৯:০৯ অপরাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলায় মাছ ধরার জন্য বাঁশের চাই বুনে বেশ কয়েকটি পরিবার তাদের জীবিকা নির্বাহ করছেন। বছরের বেশির ভাগ সময়ই গ্রামের সকল বয়সের নারী পুরুষ মিলে বাঁশের চাই তৈরি করে সংসারের খরচ জোগায়। যেখানে জোয়ারের পানির উৎস আছে ঠিক সেখান থেকেই চাই দিয়ে মাছ ধরা শুরু করেন এলাকার মৎস্যজীবিরা।

স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের বেশ কয়েকটি পরিবার মাছ ধরার জন্য বাঁশের চাই বুনে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। প্রাকৃতিক উৎস থেকে মাছ স্বীকার করে জীবিকা নির্বাহ করা বাঙ্গালী জাতির আবহকালের সৃষ্টি। বিশেষ দরিদ্র মৎস্যজীবি এবং অমৎস্যজীবি গ্রামাঞ্চলে বছরের সব মৌসুমেই নদী- নালা, খাল-বিল ও বিভিন্ন জলাশয়ে মাছ ধরে আসছেন। মাছ ধরার জন্য তারা ব্যবহার করে নানা উপকরন। এর মধ্যে জাল, পলো, বরশি, কোছা, টেটা ও চাই অন্যতম। গ্রামাঞ্চলে মাছ ধরার সবচেয়ে পুরোনো আদি উপকরনের একটি হচ্ছে বাঁশের চাই। গ্রীষ্মের শেষ সময় থেকে খাল-বিল, নদী ও নালায় শুরু হয় চাই দিয়ে মাছ ধরা। বিশেষ পদ্ধতিতে বাঁশ দিয়ে নদী খালে গড়া দেয়া হয়। ২০ ফুট থেকে শুরু করে একেকটি গড়া ১০০ ফুটের বেশি লম্বা হয়ে থাকে। এই গড়ার ফাকে ৪-৫ ফিট পর পর বসানো হয় একটি করে চাই। এই চাইয়ে ধরা পড়ে পুটি, টেংরা, চিংড়ী, বাইম, পাবদাসহ সকল প্রজাতির মাছ।

সদর ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের চাই কারিঘর শহিদ মিয়া বলেন, পূর্বপুরুষরা এই চাই বুনে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। সেই থেকে আমরা এই ক্ষুদ্র শিল্পটি ধরে রেখেছি। সরকার যদি আমাদের সুদমুক্ত ঋন দেয় তাহলে ক্ষুদ্র শিল্পটাকে বড় আকারে করে স্থানীয় পাইকারদের চাহিদা মত চাই তৈরী করে দেয়া যেত।

কারিঘর মুফিজ মিয়া বলেন, প্রতি সাপ্তাহের ১০ থেকে ১২টি চাই তৈরী করতে পারি। এইগুলো বিক্রি করতে বিভিন্ন হাটে যেতে হয়। প্রতিদিন ৩’শত থেকে ৪’শত টাকা উপার্জন হয়। তাতে মোটামোটি পরিবার নিয়ে আমার সংসার ভালোই চলছে।

ইউপি সদস্য মো. আবদুর রহমান বলেন, আমার গ্রামের বেশ কয়েকটি পরিবার চাই তৈরী করে জীবিকা নির্বাহ করছে। তাদেরকে চাই তৈরির জন্য সরকার থেকে সুদমুক্ত ঋন দেয়ার জন্য আমি জোর দাবি জানাচ্ছি।




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020