1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. banglanews24ny@gmail.com : App Bot : App Bot
  3. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  4. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  5. islam_rooney@ymail.com : Ashraful Islam : Ashraful Islam
  6. rumelali10@gmail.com : Rumel : Rumel Ali
  7. Tipu.net@gmail.com : Ariful Islam : Ariful Islam
দোয়ারাবাজারে ব্রিজের অভাবে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন




দোয়ারাবাজারে ব্রিজের অভাবে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি::
    আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০২১, ৭:৫১:২৮ অপরাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে একটি ব্রিজের অভাবে দুটি ইউনিয়নের ১৩ টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বর্ষায় নৌকা আর শুকনা মৌসুমে বাঁশের সেতুর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়েই পারাপার হচ্ছেন তারা। এলাকাবাসীর নিজস্ব উদ্যোগে পারাপারে নৌকা আর নির্মিত বাঁশের সেতু যুগের পর যুগ ধরেই ভাঙাগড়ার মধ্যে দিয়েই চলছে। একটি ব্রিজ করতে এগিয়ে আসেনি কেউই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউপির চেলা নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সেতু আর নৌকা দিয়ে নদীর পূর্বপাড় নরসিংপুর ইউনিয়নের নাছিমপুর, সোনাপুর, দৌলাতপুর, মন্তাজ নগর, নছরনগর, সারপিন পাড়া, রহিমের পাড়া ও ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউপির-রহমত পুর, সৈদাবাদ, আলমপুর, কাজিরগাঁও, দারোগা খালি, বাহাদুর পুরের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ উপজেলা,জেলা ও বিভাগীয় শহরে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপারের মধ্য দিয়ে যাতায়াত করছেন প্রতিনিয়তো।

তাছাড়া ও পশ্চিম পারের অন্তত চারটি গ্রামের মানুষকে প্রতিদিন ওই নৌকা আর বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে নদীর অপর প্রান্তে অবস্থিত নাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোনালী চেলা উচ্চ বিদ্যালয়(নাছিমপুর) ও নাছিমপুর দাখিল মাদ্রাসা। ফলে শিক্ষার্থীদেরই ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে ঐ প্রান্তে অবস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার সময় অভিভাবকরা থাকেন উদ্বিগ্ন।

প্রয়োজনের তাগিদে স্থানীয়রাই প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ইঞ্জিন চালিত নৌকা ও শুকনো মৌসুমে বাঁশ ও খুঁটি দিয়ে সেতু তৈরি করে কোনোরকম যাতায়াতের ব্যবস্থা করে নিয়েছেন। বছরের পর বছর মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও আজও সু-নজর পড়েনি কর্তৃপক্ষের। ফলে নদীর দুপ্রান্তের মানুষের সেতুবন্ধন অধরাই রয়ে গেছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি মহোদয় আগামী ২ ডিসেম্বর শিল্পনগরী ছাতক উপজেলায় শুভ আগমন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট ওই গ্রামগুলোর অধিবাসী ও নরসিংপুর ইউপিবাসীর পক্ষে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যানের দাবি, বৃহত্তর নাছিমপুর বাজার নামক স্থানে

চেলানদীতে বহুল প্রত্যাশিত বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মানের। ব্রিজটি নির্মিত হলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়িত হবে। এতে করে নরসিংপুর ইউনিয়ন ও ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নের লোকেরা সহজে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় শহরে যাতায়াত করতে পারবে। স্থানীয় বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার চাঁন মিয়া বলেন, ‘প্রতি বছর নিজেদের খরচে শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি থইথই করে। তখন নৌকা দিয়ে পার হতে ভয় লাগে।

বৃহত্তর নাছিমপুর বাজার খেয়াঘাট নামক স্থানে একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে দু’টি উপজেলার ১৩ টি গ্রামের মানুষ উপকৃত হতো। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এমপির নিকট আমাদের দাবী বঙ্গবন্ধুর নামে একটি সেতু নির্মান করা। স্থানীয় ইউপি সদস্য(সাবেক) আপ্তাব উদ্দিন মেম্বার বলেন, ‘ আমাদের যাতায়াতে বর্ষায় একমাত্র সম্বল নৌকা আর শুকনা মৌসুমে বাঁশের সেতু। খরশ্রুতা এই নদীটি ঝুঁকি নিয়েই পার হতে হয় আমাদের। অনেক সময় নৌকা ডুবে আর সেতু ভেঙ্গে দূর্ঘটনার স্বীকার ও হয়েছে অনেকে। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এম মান্নান এমপির নিকট আমাদের দাবী বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণের মধ্যদিয়ে একটু সেতু নির্মানের ব্যাবস্থা করা।

এ প্রসঙ্গে নরসিংপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর উদ্দিন আহমদ জানান, সেতুটি নির্মাণ হলে দু’টি উপজেলার দুই ইউনিয়নের ১৩ টি গ্রামের মানুষ এর সুফল ভোগ করবে। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এমপির নিকট আমাদের দাবী চেলানদীর উপর বহুল প্রত্যাশিত বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ করা।

এবিএ/২৭ নভেম্বর




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020