1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. banglanews24ny@gmail.com : App Bot : App Bot
  3. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  4. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  5. islam_rooney@ymail.com : Ashraful Islam : Ashraful Islam
  6. rumelali10@gmail.com : Rumel : Rumel Ali
  7. Tipu.net@gmail.com : Ariful Islam : Ariful Islam
বিজয়ের ডায়েরি : পর্ব-১
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন




বিজয়ের ডায়েরি : পর্ব-১

বেগম মুশতারী শফী
    আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১:২৬:১৫ অপরাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

১৯৭১, দীর্ঘ ৯ মাস ধরে চলা দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের বিজয়ের এই মুহূর্তে আমি আছি কলকাতায় পার্ক সার্কাস এরিয়ায় কুমেদান বাগান লেইনের এক অতি পুরাতন পলেস্তারা খসে পড়া জীর্ণ দোতলা বাড়ির নিচের তলায়। এখানে যাপন করছি শরণার্থী জীবন, সাতটি শিশু সন্তান নিয়ে। বেশ ক’দিন থেকেই এখানকার পত্রপত্রিকায় এবং লোকের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছিল খুব শিগগিরই পাকিস্তান সেনাবাহিনী আমাদের দামাল মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করবে।

হ্যাঁ, আজ সেই শুভদিন। আজ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ও আকাশবাণী কলকাতা গতকাল থেকেই নতুন নতুন অনুষ্ঠান-কথিকা, সংবাদ পর্যালোচনা ও পরিক্রমা ইত্যাদি প্রচারের মাধ্যমে জানিয়ে দিচ্ছিল—শুভ মুহূর্ত সন্নিকট।

সেই শুভক্ষণটি এলো আজ ১৬ ডিসেম্বরে। আজ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানের দুর্ধর্ষ জেনারেল নিয়াজী তার কয়েক হাজার সৈন্য সামন্তসহ আমাদের বীর মুক্তিবাহিনীর কাছে প্রকাশ্যে আত্মসমর্পণ করেছে এবং এই আত্মসমর্পণের মাধ্যমেই আমাদের চূড়ান্ত বিজয় আজ অর্জিত হলো। আমার দুর্ভাগ্য এমন দিনে নিজের স্বাধীন দেশে বসে আমাদের এই ঐতিহাসিক বিজয় আমি দেখতে পেলাম না। কিন্তু তা না দেখতে পেলে কী হবে, এই এখানে ভারতের মাটিতে বসেই আমি যেন সেই বিজয়ের তোপধ্বনি শুনতে পাচ্ছি।

আজ খুব ভোরে ঘুম ভেঙে দেখি চারিদিকে কেমন হৈ হৈ রৈ রৈ কাণ্ড। সারা কলকাতা শহর যেন আনন্দে ফেটে পড়ছে। বাড়িঘর, দোকানপাট, রাস্তা সবকিছু রঙিন কাগজ আর বেলুন দিয়ে সাজানো হয়েছে। আজ আর কোথাও হিন্দি সিনেমার গান বাজছে না। তার পরিবর্তে আজ চারদিক থেকে ভেসে আসছে বঙ্গবন্ধুর সেই বজ্রকণ্ঠ ভাষণ আর স্বাধীন বেতার কেন্দ্রের গান ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল’, ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’, ‘শোনো একটি মুজিবের কণ্ঠে’, ‘বাঁধ ভেঙ্গে দাও’ ইত্যাদি। গান আর ঢাক ঢোল সানাই ও ব্যান্ডের শব্দে চারিদিক মুখর। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশাল বিশাল সাইজের ছবি এবং ইন্দিরা গান্ধীর ছবি নিয়ে গগনবিদারী স্লোগান ‘জয় বাংলা’ দিতে দিতে ছুটে চলছে ট্রাকের মিছিল।

‘কী ব্যাপার? এখানে আজ এত উল্লাস কেন?’ উত্তর এলো, ‘বাংলাদেশের আজ বিজয়’।

বেলাল মোহাম্মদ ভাই নাস্তা না খেয়ে তড়িঘড়ি করে চলে গেলেন স্বাধীন বাংলা বেতার অফিস—বালীগঞ্জে। আলমগীরও গেল সঙ্গে। আমার দুই ছেলে এরাদ, মেরাজ বলল, আম্মু কাকু অফিসে যাবার সময় আমাদেরকে টাকা দিয়ে বলেছেন, ‘আজ আমাদের দেশ পূর্ণ স্বাধীন হচ্ছে। তোমরা আনন্দ করো।’ আম্মু আমরা রঙিন কাগজ কিনে এনে আমাদের এই ঘরটাও সাজাই। আমার চোখে পানি এলো। বললাম, ঠিক আছে যাও, সাজাও। ওরা দুই ভাই আনন্দে লাফাতে লাফাতে চলে গেল। এরমধ্যে কখন মিনু আপাও সাল্লু ভাইয়ের কাছ থেকে টাকা চেয়ে নিয়ে এক কেজি মিষ্টি আনিয়েছেন।

অল্পক্ষণের মধ্যেই ছেলেমেয়েরা মিলে আমাদের এই জরাজীর্ণ ঘরটা রঙিন কাগজে আর বেলুন দিয়ে সাজিয়ে ফেলল পাড়া-প্রতিবেশীরা সবাই এলো একে একে আমাদের অভিনন্দন জানাতে। সবাইকে মিষ্টি খাওয়ালাম। আহা! কী আনন্দ কী আনন্দ! মানুষের এত আনন্দ আমি আর কখনো দেখিনি। বাংলাদেশের জয় এপারের বাঙালিদের মনেও এনে দিয়েছে আনন্দের জোয়ার। ধুুমধাম শব্দে চারিদিকে ফুটছে নানা রঙের পটকা, বাজি। কোনোটার শব্দ বুক কাঁপা কামানের গোলার মতো। কোনোটা একটানা মেশিন গানের মতো শব্দ।

আলমগীর ফিরে এলো বিকেলে। বেলাল ভাই ফিরলেন না। আলমগীর এসে বলল, হ্যাঁ আপা, ভারতের মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তানি আর্মিরা আজ সারেন্ডার করছে ঢাকায়। অবাক হলাম, বললাম, ভারতের মিত্রবাহিনীর কাছে কেন? আমাদের মুক্তিবাহিনীর কাছে নয় কেন?

আলমগীর আমার এই প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে বিমর্ষ মুখে ঠোঁট উল্টে বলল, কী জানি আপা, সেই রকমই তো শুনে এলাম অফিসে সবার কাছে এবং ট্রামে বাসে সবার মুখে।

সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জায় ঝলমল করে উঠল কলকাতা শহর। আকাশ ছেয়ে গেল হরেক রকম আতশবাজিতে। এক ধরনের হাওই বাজি উড়ল আকাশে, যার গোল বৃত্তাকারের ভিতর শেখ মুজিব ও ইন্দিরা গান্ধীর মুখচ্ছবি ভেসে উঠছে। কোনটির ভিতর ‘জয় বাংলা’ লেখাটি ভেসে উঠছে। সে এক অদ্ভুত ব্যাপার—অদ্ভুত আনন্দ নিয়ে মানুষ দেখছে—দেখছি আমরাও। এই মুহূর্তে কোনো কষ্ট নেই, কোনো দুঃখ নেই, কোনো শোক নেই মনের ভিতর। বিজয়ের গৌরব অহংকারে সব চাপা পড়েছে।

সন্ধ্যার পর বেলাল ভাই এলেন মিষ্টি নিয়ে, বললেন, গৌরী মাসিমা আমাকে ডেকে এই মিষ্টি হাতে তুলে দিয়ে ছলছল চোখে বলেছেন এটা আমার শুভাশীষ। তোমাদের জয় হলো বেলাল, তোমরা পূর্ণ স্বাধীন হলে। এখন তো তোমাদের ফিরে যাবার তাড়া। এই মাসিমাকে ভুলে যেও না যেন। ডলিকে বলো, ওর বাচ্চাদের নিয়ে যাবার আগে একবার যেন আসে।

শুনে মনে মনে বললাম, এখানে কাউকেই ভুলে যাবার সাধ্য আমার নেই। আর গৌরী মাসি মাকে ভুলব কেমন করে? যিনি তাঁর মাতৃস্নেহ দিয়ে আমাদের সকল কষ্ট মুছে দিতে সচেষ্ট থেকেছেন অনুক্ষণ, তাঁকে ভুলে যাবার ক্ষমতা যেন আমার না হয়।

রাতে ‘পিটি আই’-এর প্রবীণ সাংবাদিক অজিত দাশও এলেন মিষ্টি নিয়ে। ‘কংগ্রেচুলেশন’ বলে বেলাল ভাইকে জড়িয়ে ধরলেন বুকে। তারপর একে একে সবার সঙ্গে কোলাকুলি করার পর বলেন, জানো মুশতারী আজ সারা কলকাতায় এ-বাড়ি ও-বাড়ি মিষ্টি বিতরণ হয়েছে।

বললাম হ্যাঁ, এখানে আমরা অবাক হয়ে দেখেছি আমাদের প্রতিবেশী মুসলিমরা যারা এতদিন মেনে নিচ্ছিল না আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধকে আজ তারাও দেখছি এ-বাড়ি ও-বাড়ি মিষ্টি বিতরণ করছে। আমাদের ঘরে এসে আমাদেরকেও বুকে জড়িয়ে ধরে মোবারকবাদ জানিয়েছেন। এ যেন ঈদের আনন্দের চেয়েও বড় কোনো আনন্দ। কোথা দিয়ে কী হয়ে হয়ে গেল, আজ নিমেষেই সব বিদ্বেষ সব অসন্তোষ মিলিয়ে গিয়ে দুই দেশের এক ভাষাভাষী মানুষকে প্রীতির বাঁধনে বেঁধে দিল।

একটু পরে এলেন গাজী ভাই (ভাষা সৈনিক অ্যাডভোকেট গাজীউল হক)। প্রথমে প্রাণখোলা অট্টহাসিতে ঘর কাঁপিয়ে তুললেন। তারপর আমার ছেলেমেয়েদের নিয়ে ধ্বনি তুললেন ‘জয় বাংলা’। এ ধ্বনি যেন গোটা কুমেদান বাগান লেনে ছড়িয়ে গেল। এরপর কিছুটা শান্ত হয়ে বললেন, ‘হ্যাঁ বলো, বলো এবার তোমরা কীভাবে দেশে ফিরবার কথা চিন্তা করছ?’

বেলাল ভাই বললেন, এখনই সঠিক বলতে পারছি না, কাল অফিসে গেলে বুঝতে পারব কী সিদ্ধান্ত হয়। আজ থেকে তো ঢাকা রেডিও বন্ধ হয়েছে। এখানে আমরা আজ রাতের অধিবেশনে ‘বাংলাদেশ বেতার মুজিবনগর’ বলে ঘোষণা দিয়েছি। এতদিন ছিল ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’। আমি মাঝখান থেকে বললাম, গাজী ভাই এখন আর এক মুহূর্তও এখানে ভালো লাগছে না। কখন দেশে যাব সেই ভাবনায় অস্থির হচ্ছি।

গাজী ভাই বলেন, হ্যাঁ বোন, এখন আমরা সবাই অস্থির দেশে ফেরার জন্য। আশা করা যায় এই সপ্তাহ খানিকের মধ্যে আমরা সবাই ফিরে যেতে পারব।

এই সময় আমার মনে এলো সেই প্রশ্ন যা আমাকে ভাবিয়ে রেখেছে। এখন বলেই ফেললাম। ‘আচ্ছা গাজী ভাই, একটা কথা, আমাদের আজ এতবড় একটা বিজয়, দীর্ঘ ন’ মাস ধরে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা বাধ্য করলাম পাকিস্তানিদের সারেন্ডার করতে, কিন্তু সেই সারেন্ডার ওরা আমাদের মুক্তিবাহিনীর কাছে না করে মিত্রবাহিনী অর্থাত্ ভারতের কাছে করল কেন?’

আমার এই প্রশ্নে গাজী ভাইয়ের হাস্যোজ্জ্বল মুখের ওপরে যেন মেঘের ছায়া নামল। আমরা সবাই উদগ্রীব হয়ে তাকিয়ে আছি তাঁর মুখের দিকে। কী বলবেন গাজী ভাই?

অজিত দাশ একটু মুখ টিপে হেসে বললেন, ‘মুশতারী তুমি চমত্কার প্রশ্ন করেছ, আমার মনে হয় এর পেছনে কোনো গূঢ় রহস্য আছে।’

আলমগীর বলল, ‘রহস্যটা কী ?’ অজিত বাবু বললেন, ‘হতে পারে কোনো কন্সপিরেসি!’ আলমগীর চেপে ধরল, কন্সপিরেসি তাহলে নিশ্চয়ই হবে ইন্ডিয়া গভর্নমেন্টের!

অজিত দাশ তেমনি সহাস্য মুখে বললেন, ‘না এই কন্সপিরেসি তোমাদেরই মধ্যে। শুধু শুধু ভারতকে দোষ দিয়ে লাভ কী।’ এবার এয়ার ভাই বললেন, ‘কী রকম দোষ আমাদের?’ অজিত দাশ বললেন, ‘আপনাদের মুিক্তবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এম. এ. জি. ওসমানী সাহেব কেন আজ ঢাকায় গেলেন না? কেন তিনি জোর করে দাবি করলেন না সারেন্ডার তাঁর কাছেই করতে হবে? কেন আজ তিনি ঢাকার রেসকোর্সের মাঠে অনুপস্থিত?’

এয়ার ভাই বললেন, ‘হয় তো তাঁকে যেতে দেওয়া হয়নি!’ অজিত দাশ মাথা নাড়ালেন, ‘না এয়ার মাহমুদ সাহেব, ভুল, সব ভুল ধারণা আপনাদের। এভাবেই ভুলে ভুলে একদিন আপনারা বিভ্রান্ত হবেন। সত্যি কথা শুনবেন? আই নো এভরিথিং।’

আমরা সবাই এবার প্রায় নিঃশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে আছি তাঁর মুখের দিকে। তিনি বললেন, ‘আপনাদের প্রাইম মিনিস্টার তাজুদ্দিন সাহেবের সঙ্গে আমাদের প্রাইম মিনিস্টারের বেশ কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে এই সারেন্ডার নিয়ে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও মিটিং বসেছে কয়েক দফা। তাজুদ্দিন সাহেবের জোর দাবি ছিল সরাসরি মুক্তিবাহিনীর কাছেই সারেন্ডার করতে হবে। সেখানে আপনাদের সর্বাধিনায়ক সাহেবও ছিলেন। কিন্তু তিনি ছিলেন নীরব। যদিও পাকবাহিনী প্রধান নারাজ ছিল মুক্তিবাহিনীর কাছে সারেন্ডার করতে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে রাজি হয়েছিল। অথচ, নির্দ্দিষ্ট দিনে ওসমানী সাহেব অজ্ঞাত কারণে যেতে রাজি হলেন না। আপনাদের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজুদ্দিনসহ কেবিনেটের অনেকেই তাঁকে বার বার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি কিছুতেই যেতে রাজি হলেন না।’

‘বলেন কী দাদা, সত্যি?’ প্রায় সমস্বরে বলে উঠলাম সবাই। আমাদের সবার রুদ্ধশ্বাস প্রশ্নে গাজী ভাই বললেন, ‘হ্যাঁ এসবই সত্যি। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের স্বরাষ্টমন্ত্রী কামরুজ্জামান ও তাজুদ্দিন আহমেদসহ কয়েক দফা মিটিংয়ের পর শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছিল মিত্রবাহিনী প্রধানের উপস্থিতিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম. এ. জি. ওসমানী সাহেবের কাছেই পাকিস্তান আত্মসমর্পণ করবে।’

‘কিন্তু তা হলো না কেন গাজী ভাই?’ আমার ব্যাকুল প্রশ্নে গাজী ভাই একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, ‘সেটাই তো বুঝতে পারছি না। ওসমানী সাহেব কেন এমন বেঁকে বসলেন।’

শুনতে শুনতে আমার বুকের ভিতর কোথায় যেন একটা ব্যথার স্রোত বয়ে গেল। বাংলাদেশের বিজয়ের ইতিহাস তাহলে এভাবে লেখা হবে ‘লক্ষ লক্ষ বাঙালির প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশের বিজয় অর্জিত হলো সহযোগী দেশ ভারতবাহিনী তথা মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে!’ কেন এমন হলো? কেন আমাদের বিজয়ের ইতিহাস পরিপূর্ণ গৌরবগাথায় রচিত হলো না? কেন? কার ভুলে? কার কারণে? আমাদের ভবিষ্যত্ প্রজন্ম কোনদিন এদের খুঁজে বের করে এনে চাইবে কি জবাবদিহি? দেবে কি কঠিন শাস্তি? এই ব্যর্থতার অপরাধ কি ওরা কখনো ক্ষমা করবে? কোথায় এর গূঢ় রহস্য?…

…রাত অনেক হয়েছে, সকলেই শুয়ে পড়েছে। আমার চোখে ঘুম নেই। আমি আমার ডায়েরি আর কলম নিয়ে বসলাম।

লেখক : বিশিষ্ট সংগঠক ও সাহিত্যিক




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020