1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. banglanews24ny@gmail.com : App Bot : App Bot
  3. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  4. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  5. islam_rooney@ymail.com : Ashraful Islam : Ashraful Islam
  6. rumelali10@gmail.com : Rumel : Rumel Ali
  7. Tipu.net@gmail.com : Ariful Islam : Ariful Islam
সিলেটের ৫ নারী প্রার্থী : সাড়া জাগালেও কাড়তে পারেননি ভোট
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০১:১১ পূর্বাহ্ন




সিলেটের ৫ নারী প্রার্থী : সাড়া জাগালেও কাড়তে পারেননি ভোট

দিপালী রায়
    আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ২:১৭:৩৯ অপরাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

‘বিনা যুদ্ধে নাহি দেব সুচাগ্র মেদিনী’। বিষয়টি ছিল অনেকটা সেরকমই। যুদ্ধটি ছিল ইউপি নির্বাচনে ভোটের মাঠে। চেয়ারম্যান পদে পুরুষ প্রার্থীদের সাথে ভোট যুদ্ধে নেমেছিলেন ৫ নারী প্রার্থী। সাড়াও জাগিয়েছেন বেশ। এর মধ্যে পুরুষ প্রার্থীদের ঘাম ঝড়িয়েছেন ৩ নারী প্রার্থী। দু’জন খুইয়েছেন জামানত। ফলে নারী প্রার্থীরা শুরুতে ব্যাপক সাড়া জাগালেও বিজয় অর্জন সম্ভব হয়নি কারো পক্ষে। যদিও এর আগে সিলেট বিভাগে একজন নির্বাচিত নারী চেয়ারম্যান ছিলেন। এবারের নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন সেই নারী। তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও ঘোষিত ফলাফলে বিজয় ধরে রাখতে পারেন নি তিনি। ২৮ ও ৩০ নভেম্বরের ইউপি নির্বাচনের ফলাফলে তাও হাত ছাড়া হলো নারী প্রার্থীদের। ফলে তিনটি ধাপের ইউপি নির্বাচন শেষে চেয়ারম্যান পদে সিলেট বিভাগে চেয়ারম্যান পদ শুন্য থাকলো নারীদের।

চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী এই পাঁচ নারী প্রার্থী হলেন নার্গিস আক্তার বুবলি, সুলতানা কোহিনুর সারোয়ারী, মোছা. ছালমা আক্তার চৌধুরী, মোছা. চম্পা বেগম ও রোকশানা আক্তার শিখা। এর মধ্যে নার্গিস আক্তার বুবলি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান। পরাজিত পাঁচ নারী চেয়ারম্যান প্রার্থীর দুজন মৌলভীবাজারের একজন হবিগঞ্জের এবং বাকি দু’জন সুনামগঞ্জ জেলার। এর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হেেয়ছ গৌরারং ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীসহ বিদ্রোহী অপর নারী প্রার্থীর। তবে মৌলভীবাজারের ২ নারী প্রার্থী ও হবিগঞ্জের অপর নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘাম ঝড়িয়েছেন পুরুষ প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর।

কুলাউড়া :
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা ৩য় ধাপে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় ২৮ নভেম্বর। নির্বাচনে কুলাউড়া সদর ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোছাদ্দিক আহমদ নোমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী, সিলেট বিভাগের একমাত্র নারী চেয়ারম্যান (বর্তমান) নার্গিস আক্তার বুবলী। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোছাদ্দিক আহমদ নোমানের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৩,১১৮। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী নার্গিস আক্তার বুবলী পান ২,৯৮৯ ভোট।
এই উপজেলায় ১৩ ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের (নৌকা) প্রার্থী ৭ জন, ৪ জন আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ও ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এদের মধ্যে বর্তমান চেয়ারম্যান ৪ জন পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন।

আজমিরীগঞ্জ
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান মাত্র ১৩ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফয়েজ আহমেদ খেলু। তার প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৫৫৮। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রোকসানা আক্তার শিখা পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৪৫ ভোট। মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) ইউনিয়নের স্থগিত একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে গত ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন ভোটগ্রহণ শেষে গণনার সময় ২ নম্বর জলসুখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় দুর্বৃত্তরা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে ব্যালট ছিনতাই করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। যে কারণে ওই কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন ৩০ নভেম্বর এই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

বড়লেখা
উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনী যুদ্ধে নামেন নারী প্রার্থী সুলতানা কোহিনূর সারোয়ারি। তাঁর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোট যুদ্ধে মাঠে নামেন আওয়ামী বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী আজির উদ্দিন। ২৮ নভেম্বর ঘোষিত ফলাফলে ঘোড়া প্রতীকে নিয়ে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আজির উদ্দিন পান ৯৮৬০ ভোট। আর ৬৪৫৮ ভোট পেয়ে পরাজয় বরণ করেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সুলতানা কোহিনূর সারোয়ারি।
তৃতীয় ধাপে এই উপজেলার (বড়লেখা) ১০টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) মধ্যে ৫টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা মার্কা নিয়ে জয়ী হয়েছেন। বাকি পাঁচটির মধ্যে তিনটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী, দুটিতে (একটি বিএনপি) স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জ জেলা থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনী ভোট যুদ্বে মাঠে নামেন দুই নারী প্রার্থী। দুজনই একই ইউনিয়ন থেকে ভোট যুদ্ধে ছিলেন। প্রার্থীদের একজন ছিলেন ছালমা আক্তার চৌধুরী এবং অপরজন চম্পা বেগম । একই রাজনীতির অনুসারী এই দু’জন প্রার্থী ছিলেন পরস্পরের বান্ধবী। ছালমা আক্তার চৌধুরী সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করেন। আর চম্পা বেগম মনোনয়ন না পেয়ে মাঠে নামেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। কিন্তু ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এই ইউনিয়নে লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থীর কাছে বিপুল ভোটে ধারাশায়ি হন দুই নারী প্রার্থী। সাথে খুইয়েছেন জামানতও। এই ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পাটির প্রার্থী শওকত আলী লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে ৬৯৩২ ভোট নিয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদুল ইসলাম। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৪৮৬৭। আর ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন লাখ করেও নৌকা প্রতিকে জেলার একমাত্র নারী প্রার্থী ভোট পান ৯৫০ টি। অপর নারী প্রার্থী চশমা প্রতীকে চম্পা বেগমের প্রাপ্ত ভোট ৭৬।কাস্টিং ভোটের হিসেব অনুযায়ী দুই নারী প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং জাতীয় পার্টির দুই প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয় লাভ করেন।

 




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020