1. sparkleit.bd@gmail.com : K. A. Rahim Sablu : K. A. Rahim Sablu
  2. banglanews24ny@gmail.com : App Bot : App Bot
  3. diponnews76@gmail.com : Debabrata Dipon : Debabrata Dipon
  4. admin@banglanews24ny.com : Mahmudur : Mahmudur Rahman
  5. islam_rooney@ymail.com : Ashraful Islam : Ashraful Islam
  6. rumelali10@gmail.com : Rumel : Rumel Ali
  7. Tipu.net@gmail.com : Ariful Islam : Ariful Islam
বিশুদ্ধ পানির অভাব : দোয়ারাবাজারে বাড়ছে আর্সেনিক রোগী
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন




বিশুদ্ধ পানির অভাব : দোয়ারাবাজারে বাড়ছে আর্সেনিক রোগী

বাংলানিউজ২৪এনওয়াই ডেস্ক
    আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:১২:২৪ অপরাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আর্সেনিকের সাথে যুদ্ধ করছেন দোয়ারার সুরমা ইউনিয়নের গিরিশনগর গ্রামের কর্মঠ যুবক মনির হোসেন। চিকিৎসায় খুইয়েছেন নিজের উপার্জিত সহায় সম্পদসহ পৈতৃক জমি-জমা। ব্যয়বহুল চিকিৎসায় হাতপায়ের কালো গুটি সেরে উঠলেও পুরোপুরি নিরাময় হয়নি আর্সেনিক রোগ। সম্প্রতি বাম হাতে পচন ধরেছে। মনির হোসেন বলেন, ‘আমার সব স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার। দুই যুগ ধরে আয় উপার্জন বন্ধ।’

এ অবস্থা শুধু গিরিশনগর গ্রামের মনির হোসেনের নয়। শুক্রবার দুপুরে গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, মনির হোসেনের মতো ওই গ্রামের ইলিয়াস ফরাজী (৩২), গিয়াস উদ্দিন (৫৫), সিরাজ (৩৫), বদরুজ্জামান (৪০), মতিউর রহমান (৬০), নূর মোহাম্মদ (৪০), মুজিবুর রহমান ফরাজী (৭০) সহ আরও অনেকেই আর্সেনিক রোগে আক্রান্ত। ওই গ্রামের ঘরে ঘরে বাড়ছে আর্সেনিক রোগীর সংখ্যা। গ্রামের অর্ধশতাধিক পরিবার আর্সেনিক ঝুঁকিতে বসবাস করছেন। এসব পরিবারে নেই বিশুদ্ধ পানীয় জল।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় দুই যুগ পূর্ব থেকে গ্রামের সবকটি নলকূপের পানিতে আর্সেনিক ধরা পড়ে। ফলে পানীয়জল হিসেবে কূপের পানি ব্যবহার করছেন অনেকে। আবার অনেকে অস্বাস্থ্যকর আয়রনযুক্ত নলকূপের পানি কিংবা পুকুরের পানিও ব্যবহার করছেন। ইউনিসেফ কর্তৃক প্রায় দেড়যুগ আগে গ্রামে একটি আর্সেনিকমুক্ত পানির ফিল্টার স্থাপিত হয়েছিল। দু’বছর পর সেটি বিকল হয়ে যায়। অপরদিকে একই সময়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক স্থাপিত পানি শোধনাগারটিও কোনো কাজে আসেনি। এটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় ঝোঁপঝাঁড়ে পরিণত হয়েছে।

গিরিশনগর গ্রামের বাসিন্দা আকাশ ফরাজী বলেন, ‘গত বছর আমার বাবা মোখলেসুর রহমান ফরাজী মারা যান আর্সেনিক রোগে। অনেক চিকিৎসা করেও সুস্থ করা যায়নি।’

ওই গ্রামের বাসিন্দা আর্সেনিক আক্রান্ত নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা খুব শঙ্কায় আছি। কখন কে যে প্রাণঘাতী ওই রোগে আক্রান্ত হই বলা যায় না। আমার সারা শরীরে কালো কালো গুটি দেখা দিয়েছে। ওষুধ খেলেও সারেনি। বিশুদ্ধ খাবার পানির কোনো ব্যবস্থা নেই গ্রামজুড়ে। সরকারিভাবে আমাদের এখানে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহের ব্যবস্থা হলে আমাদের উপকার হতো।’

নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম বীরপ্রতীক বলেন, ‘গিরিশনগর গ্রামে আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের সাথে আমি আলাপ করব।’

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আক্কাস আলী বলেন, ‘গিরিশনগর এলাকায় আর্সেনিকের মাত্রা একটু বেশি। আর্সেনিকের জন্য কাজ করার মতো আমাদের এখানে আলাদা কোনো প্রকল্প নেই। তবে কিছুদিন পর আমাদের এখানে কিছু পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এর আওতায় পৌরসভার মতো কিছু কিছু গ্রাম এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করা হবে। চেষ্টা করবো শুধু ওই এলাকার জন্য কিছু করার।’




খবরটি এখনই ছড়িয়ে দিন

এই বিভাগের আরো সংবাদ







Copyright © Bangla News 24 NY. 2020